Showing posts with label শোক সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label শোক সংবাদ. Show all posts

Sunday, 18 June 2023

সাংবাদিক চেরাগ আলীর মৃত্যুতে গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি শোক

সাংবাদিক চেরাগ আলীর মৃত্যুতে গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি শোক


গোলাপগঞ্জ উপজেলার অন্যতম জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক  দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি চেরাগ আলী আর নেই। ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি নেতৃবৃন্দ। 

 শনিবার (১৭জুন) সকাল ১০  টা ৩০ মিনিটের সময় ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিনিয়র এই সাংবাদিক ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে  শয্যাশায়ী ছিলেন।  মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও ৩ পুত্র সন্তানসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

সাংবাদিক চেরাগ আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ খন্দকার বদরুল আলম, সহ-সভাপতি আব্দুল মুমিত রনি, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ফখরুল ইসলাম শাকিল, কোষাধ্যক্ষ জাবেদ মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, দপ্তর সম্পদক আব্দুল আজিজ বাবর, প্রচার সম্পাদক অলিউর রহমান তামিম, নির্বাহী সদস্য আফসার আহমদ, জাকারিয়া মোহাম্মদ, ডিএইচ মান্না। তারা এক শোক বার্তায় শোক সন্তুপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

Tuesday, 3 May 2022

প্রাজ্ঞদীপ এ.এম.এ মুহিতের মৃত্যুতে সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য'র শোক

প্রাজ্ঞদীপ এ.এম.এ মুহিতের মৃত্যুতে সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য'র শোক


সিলেট ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী, ভাষাসৈনিক, প্রাজ্ঞপ্রদীপ আবুল মাল আব্দুল মুহিতের মৃত্যুতে সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য-এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
 
আবুল মাল আব্দুল মুহিত মহান ভাষা আন্দোলনের আপোষহীন সৈনিক, বাংলাদেশ সরকারের একজন সফল অর্থমন্ত্রী, দক্ষ  অর্থনীতিবিদ, প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদ এবং গুণী ব্যাক্তি ছিলেন। অর্থনীতি, সমাজনীতি, প্রশাসন ইত্যাদি নিয়ে তাঁর গবেষণা ও নীরীক্ষা এবং লেখাসমূহ বহু যুগ পর্যন্ত আমাদের দেশ ও সমাজকে আলোর পথ দেখাবে। একজন দক্ষ কুটনীতিবিদ, পরিবেশবিদ হিসাবে তাঁর অবদান দেশ ও জাতির জন্য শিক্ষনীয় উদাহরণ হিসাবে গন্য হবে চিরকাল। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।
 
তাঁর মৃত্যুতে সিলেটবাসী এবং গোটা জাতি একজন মহান ব্যাক্তিকে হারালো। তবে তিনি এবং তাঁর কর্মসমূহ যুগ যুগ ধরে জাতির জন্য প্রেরণার বিষয় হয়ে উজ্জ্বল আলো দেবে।
 
সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের পক্ষথেকে আমরা জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিতের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

Sunday, 1 May 2022

নিথর দেহে আপন নীড়ে ফিরলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত

নিথর দেহে আপন নীড়ে ফিরলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত


সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মরদেহ তার জন্মস্থান সিলেটে পৌঁছেছে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টা ৫৪ মিনিটে লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুল্যান্সে তার মরদেহ নিজ বাসভবন সিলেট নগরীর ধোপাদীঘীর হাফিজ কমপ্লেক্সে এসে পৌঁছায়। 

এ সময় আবুল মাল আবদুল মুহিতের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয় হাফিজ কমপ্লেক্স ও তার আশপাশের এলাকায়।

আগামীকাল রোববার (১ মে) বাদ জোহর সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ আবুল মাল আবদুল মুহিতের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরই পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত হবেন এই ভাষাসৈনিক। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, রোববার দুপুর ১২টায় আবুল মাল আবদুল মুহিতের মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে নেওয়া হবে। পরে দুপুর ২টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসার মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁর রায়নগরের ডেপুটি বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

প্রসঙ্গত, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গতকাল শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্ম নেওয়া মুহিত তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজের ১৪ সন্তানের মধ্যে ছিলেন তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৫১ সালে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

বিদেশে চাকরিরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন তিনি। আর ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।

১৯৫৬ সালে আবদুল মুহিত যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হিসেবে ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। অর্থনৈতিক পরামর্শক হিসেবে ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৎকালীন পাকিস্তান দূতাবাসে যোগদান করেছিলেন। ছিলেন পাকিস্তান কর্মপরিকল্পনা কমিশনের প্রধান ও উপ-সচিব। ওয়াশিংটন দূতাবাসে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনের সময় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করেন।

১৯৭১ সালে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়াশিংটন দূতাবাসে ইকনমিক কাউন্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। এছাড়াও, ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মুহিত।

১৯৮১ সালে আবুল মাল আবদুল মুহিত সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছিলেন। এরপর তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি এবং উন্নয়ন বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন সংস্থা বা ইফাদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

১৯৮২-১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেনন মুহিত। পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), আইডিবি ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহা ঐক্যজোটের মনোনয়নে সিলেট-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী হন। ওই নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ জানুয়ারি ৬ তারিখে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে টানা ১০ বছর বাজেট উপস্থাপন করেছেন জাতীয় সংসদে।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই আবুল মাল আবদুল মুহিত করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত মার্চের শুরুতে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন কিছু দিন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ১৪ মার্চ সিলেট ঘুরে আসেন। সিলেট সিটি করপোরেশন ১৬ মার্চ তাকে ‘গুণীশ্রেষ্ঠ সম্মাননা’ দেয়। 

Tuesday, 8 February 2022

সহস্রাধিক মানুষের ঢলে আল্লামা হাবিবুর রহমানের শেষ বিদায়

সহস্রাধিক মানুষের ঢলে আল্লামা হাবিবুর রহমানের শেষ বিদায়

প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার সময় থানাবাজার সংলগ্ন উত্তর মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় বিপুল সংখক মুসল্লী অংশ নেন। 

জানাযায় ইমামতি করেন মাওলানা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী।

এর আগে, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলিমে দীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন।

Monday, 7 February 2022

আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাজা মঙ্গলবার

আল্লামা হাবিবুর রহমানের জানাজা মঙ্গলবার



প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুণগ্রাহী এবং হাজার হাজার ছাত্র রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাযা মঙ্গলবার বিকেল ৩টার সময় থানাবাজার সংলগ্ন উত্তর মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রখ্যাত আলেমের ইন্তেকালে জকিগঞ্জ তথা সিলেটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলিমে দীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন।
প্রখ্যাত আলেম আল্লামা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল

প্রখ্যাত আলেম আল্লামা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল


প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, ইছামতি কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শায়খুল হাদিস আল্লামা হাবিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন)। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জকিগঞ্জের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

মরহুমের জামাতা মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী এই তথ্য জানিয়েছেন।

সবার কাছে ‘মুহাদ্দিস ছাহেব’ নামে খ্যাত শাইখুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান জকিগঞ্জের রারাই গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলাকার খ্যাতিমান আলেমে দ্বীন মরহুম মাওলানা মুমতায আলী ও মাতা মরহুমা আমিনা খাতুন। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।

তিনি ইছামতি দারুল উলুম সিনিয়র মাদরাসায় অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও একান্ত প্রচেষ্টা ইছামতি মাদরাসা পূর্ব সিলেটের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। তাঁর একক প্রচেষ্টায় মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। আলিম, ফাজিল ও কামিল ক্লাশের সরকারি মঞ্জুরি এবং স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ইছামতি মাদরাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৎপুর কামিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খুল হাদিস ছিলেন।

অর্ধ শতাব্দীরও অধিককাল ধরে ইলমে হাদীসের খিদমতে নিয়োজিত এ মনীষী অধ্যাপনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে কুরআন-হাদীসের শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন মাহফিলে বয়ান পেশ করতেন। 
শোক-শ্রদ্ধায় পীর হাবিবকে শেষ বিদায় জানালো সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ

শোক-শ্রদ্ধায় পীর হাবিবকে শেষ বিদায় জানালো সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ


শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হলো বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানকে। আজ রোববার রাত ১০ টায় সিলেটের চৌহাট্রাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিলেটের সর্বস্তরের মানুষসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাব, সিলেট প্রেসক্লাব,ইমজা,ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, সিলেটে সিটি কর্পোরেশন,সাংবাদিক ইউনিয়ন ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
 
রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাসদ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এ ছড়াও বিভিন্ন দল, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। এ সময় তাঁর কর্মক্ষেত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কেন্দ্রীয় আয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ,মরহুমুরে ছোট ভাই পির মিসবাহ এমপি,মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন খান, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি,জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহমদ,জেলা ছাত্রলীগের সভাপি নাজমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ,মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশোয়ার জাহান সৌরভ, সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমদসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলী, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরহুমের লাশবাহী এম্বুলেন্স তার প্রিয় শহর সুনামগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সোমবার দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। বাদ জোহর জেলার কেন্দ্রীয় মসজিদে এবং পরে নিজ গ্রাম মাইজবাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের পর পীর হাবিবের মরদেহ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নেওয়া হয়। বেলা তিনটায় সাংবাদিক পীর হাবিবের কর্মস্থল বাংলাদেশ প্রতিদিন কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে মুম্বাই জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লানটেশনের মাধ্যমে ক্যানসার মুক্ত হন পীর হাবিবুর রহমান। এরপর গত ২২ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। করোনামুক্ত হলেও কিডনির জটিলতায় পীর হাবিব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে তাঁকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

বরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমানের জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ শহরে। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Sunday, 30 January 2022

এড. ইকবাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও ওবায়দুল কাদেরের শোক

এড. ইকবাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও ওবায়দুল কাদেরের শোক


গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।

আজ রোববার ( ৩০ জানুয়ারি ) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শোক প্রকাশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ইকবাল আহমদ চৌধুরীর পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার, পরিজন, আত্মীয়-স্বজন সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অপর এক শোকবার্তায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মরহুম ইকবাল আহমদ চৌধুরীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার, পরিজন , আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, শনিবার (২৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে সিলেট মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ইকবাল আহমদ চৌধুরী ( ইন্নালিল্লহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
এড.ইকবাল চৌধুরী’র মৃত্যুতে নুরুল ইসলাম বেলালের শোক

এড.ইকবাল চৌধুরী’র মৃত্যুতে নুরুল ইসলাম বেলালের শোক


বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মিডল্যান্ডস আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল ইসলাম বেলাল।

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, রাজনীতির মহান শিক্ষক এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে আমরা হারালাম স্বচ্ছ পরিচ্ছন্ন একজন রাজনীতিবিদ ও সত্যিকারের নিবেদিত প্রাণ একজন আওয়ামীলীগ নেতাকে।

তিনি আরোও বলেন, ইকবাল আহমদ চৌধুরী গোলাপগঞ্জ উপজেলা রাজনীতির অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন, তাঁর অবদান ছিলো স্মরণীয়। তাঁর অভাব কখনো পূরণ হওয়ার নয়, তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। 

শোক বার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন

উল্লেখ্য, গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী শনিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে সিলেট নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। 

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিলো ৮০ বছর। তিনি আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ অগণিত গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি-সহ বাধ্যর্ক জনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শারিরীক অবস্থা অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

আগামীকাল সোমবার বাদ জোহর সিলেটের দরগাহ হযরত শাহজালাল (রহঃ) জামে মসজিদে প্রথম জানাজা এবং বাদ আসর নিজ উপজেলা গোলাপগঞ্জ সরকারি এম,সি একাডেমি মাঠে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।  

জানাযা শেষে নিজ গ্রাম রফিপুরস্থ পারিবারিক কবরস্থানে প্রবীন এ রাজনীতিবিদের দাফন সম্পন্ন করা হবে। 

প্রসঙ্গত,বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, দেশের প্রগতিশীল রাজনীতির অন্যতম ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে জীবন অতিবাহিত করা এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গোলাপগঞ্জ-সহ পুরো সিলেটে নেমে এসেছে শোকের ছায়া ।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এড.ইকবাল চৌধুরী’র মৃত্যুতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর শোক

গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান এড.ইকবাল চৌধুরী’র মৃত্যুতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর শোক


সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী আর নেই। ( ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে সিলেট নগরীর মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। 

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিলো ৮০ বছর। তিনি আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ অগণিত গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাধ্যর্ক জনিত ও বিভিন্ন রোগী ভুগছিলেন। শনিবার দুপুরে (২৯ জানুয়ারি) তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়।

এদিকে,বর্ষিয়ান রাজনীবিদ এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি।

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি এক শোকবার্তায় বলেন, প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা, গোলাপগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ছাত্রজীবন থেকে আজ পর্যন্ত  দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রসেনানী আমাদের সকলের প্রিয় নেতা ইকবাল আহমদ চৌধুরীর ইন্তেকালে গভীর মর্মাহত হয়েছি। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। 

তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের চিরবিদায়

এক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের চিরবিদায়

এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী
জন্ম : ১৭ জুলাই ১৯৪২
মৃত্যু: ২৯ জানুয়ারী ২০২২।

মৃত্যু এক অমোঘ নিয়ম। জগতের এই অমোঘ নিয়মে দূর আকাশে হারিয়ে গেলেন গোলাপগঞ্জ তথা সিলেটের রাজনীতির এক উজ্জল নক্ষত্র এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী। নিজের কর্মময় আলোকিত জীবনের মাধ্যমে আলোকবর্তিকা হয়ে তিনি থাকবেন পুরো সিলেটের মানুষের মাঝে।

জাগতিক সব অধ্যায় থেকে চির প্রস্থান করলেও মানুষের মনের হীরক দ্যুতিতে চিরদিন জ্বলে থাকবেন এ কীর্তিমান মানুষ। ক্ষণজন্মা এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের বিদায়ে গোলাপগঞ্জসহ পুরো সিলেট জুড়ে দলমত নির্বিশেষে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 
তাঁর প্রস্থানে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে শূণ্যতা তৈরি হয়েছে তা নিঃসন্দেহে অপূরণীয়। তবুও মৃত্যুতে কারো হাত নেই, সব মৃত্যুই সুনির্দিষ্ট। এই চরম সত্যটা আমাদের মেনে নিতে হয়।

রাজনৈতিক জীবন: বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ ১৯৪২ সালের ১৭ জুলাই গোলাপগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। মিছিলে অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। শিক্ষা জীবনে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে সক্রিয় ছাত্র রাজনীতি করেন। আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মতিয়া চৌধুরী, তোফায়েল আহমদের মতো জাতীয় নেতারা ছিলেন তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা।

ইকবাল আহমদ চৌধুরী ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। এর আগে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি প্রথম দফায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ইকবাল আহমদ চৌধুরী ২০০৪ সালে গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। এরপর আমৃত্যু সে দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

তিনি স্কাউটসে বিশেষ অবদানের জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ রৌপ্যপদক লাভ করেন। ১৯৫০-৬০ এর দশকে প্রগতিশীল ছাত্রনেতাদের মধ্যে অন্যতমদের একজন ছিলেন ইকবাল আহমদ চৌধুরী। ১৯৬২ সালে আইয়ুব শাসনবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ১৯৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলনের পথ বেয়ে ১৯৬৯-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারির নেতা হিসেবে নিজের স্থান করে নিয়েছিলেন । অপার সংগ্রামী পথ ধরে ঢাকার কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতৃবৃন্দের বন্ধুত্বে-ভালোবাসায় সিক্ত হোন।

বহুবিধ প্রতিভার অধিকারী, মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ, উচ্চ শিক্ষার অনুরাগী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী সিলেট জেলার অন্তর্ভুক্ত গোলাপগঞ্জ উপজেলার রফিপুর গ্রামে ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

বর্তমানে তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি)-এর চেয়ারম্যান (বোর্ড অব ট্রাস্টিজ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী ইচ্ছে করলেই ষাটের দশকে রাজধানী ঢাকা শহরে চাকচিক্যময় জীবন সাজাতে পারতেন, সেই সুযোগ ও সম্ভাবনা তাঁর সামনে পূর্ণমাত্রায় ছিল। কিন্তু লালিত স্বপ্ন ও প্রতিজ্ঞার প্রতি সম্মান দেখাতেই নিজের জীবন নিবেদিত করেছেন সমাজপ্রগতি ও মানুষের কল্যাণে।

অবদান রেখে চলেছেন বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও মানবকল্যাণমূলক কাজে। ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নের প্রয়াসে নিজেকে নিবেদিত করেন ‘নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোক্তা ও পরিচালক হিসেবে, যেখানে স্বল্প খরচে ছাত্র-ছাত্রীরা এমবিবিএস পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ স্বল্প মূল্যে পাচ্ছে চিকিৎসাসেবা।

ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষানুরাগী ও মধ্যবিত্তের উচ্চশিক্ষা অর্জনের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী ২০১২ সালে ‘নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি) প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং দরিদ্র অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ।

পরিশেষে বলি সব বিদায় বিদায় নয়; আপনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায়। মহান আল্লাহ পাক আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন, আমীন।

সৌজন্যেঃ সিলেট প্রতিদিন
এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুঃ জানাজা সোমবার

এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুঃ জানাজা সোমবার


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ চৌধুরী আর নেই।ইন্নালিল্লাহি ও ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার রাত ১২টা ২০মিনিটের সময় সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর। তিনি আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ অগণিত গুনগাহী রেখে গেছেন।

আগামীকাল সোমবার বাদ জোহর সিলেটের দরগাহ হযরত শাহজালাল (রহঃ) জামে মসজিদে প্রথম জানাজা এবং বাদ আসর নিজ উপজেলা গোলাপগঞ্জ সরকারি এম,সি একাডেমি মাঠে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।  

জানাযা শেষে নিজ গ্রাম রফিপুরস্থ পারিবারিক কবরস্থানে প্রবীন এ রাজনীতিবিদের দাফন সম্পন্ন করা হবে। 

ইকবাল আহমদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি-সহ বাধ্যর্ক জনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শারিরীক অবস্থা অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত,বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, দেশের প্রগতিশীল রাজনীতির অন্যতম ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে জীবন অতিবাহিত করা এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গোলাপগঞ্জ-সহ পুরো সিলেটে নেমে এসেছে শোকের ছায়া ।

Friday, 15 October 2021

ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাহবুবুর রহমান আর নেই

ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাহবুবুর রহমান আর নেই


গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান আর নেই।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

এদিকে মরহুমের জানাযার নামাজ শুক্রবার বাদ জুমআ তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে জানাযা শেষে সেখানকার স্থানীয় কবরস্থানে লাশ সমাহিত করা হবে।

মৃত্যুকালে তিনি ২মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
লালাবাজারে বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব রইছ আলীর ইন্তেকাল

লালাবাজারে বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব রইছ আলীর ইন্তেকাল


দক্ষিণ সুরমা উপজেলার  ৬ নং লালাবাজার ইউনিয়নের শাহসিকন্দর( রংগী) নিবাসী যুক্তরাজ্য  প্রবাসী  সিরাজুল ইসলাম ও লালাবাজার ইউনিয়ন এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি, তাজুল ইসলাম ক্রিকেট একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা তাজুল ইসলাম এর পিতা বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব রইছ আলী আর নেই। তিনি  আজ  বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা৪৫ মিনিটে   ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না-লিল্লাহি......রাজিউন।

মরহুম রইছ আলীর যানাজার নামাজ  আগামীকাল শু্ক্রবার সকাল ১১টায় লালাবাজার আলিম মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। 

বিশিষ্ট মুরব্বী রইছ আলীর মৃত্যুতে লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবাল, সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল আফিয়ান চৌধুরী, ল্যান্ডমার্ক সিলেট প্রাইভেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল আাহাদ, দক্ষিণ সুরমা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ গিয়াস উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক শফিক আহমদ শফিসহ লালাবাজার  এডুকেশন ট্রাস্ট, ইউকের নেতৃবৃন্দ  গভীর শোক ও দূঃখ প্রকাশ করেছেন। 

শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

Saturday, 9 October 2021

রোটারিয়ান রাশেদুল ইসলামের পিতৃবিয়োগ

রোটারিয়ান রাশেদুল ইসলামের পিতৃবিয়োগ



রোটারী ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রীজ এর প্রেসিডেন্ট  ও সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোঃ লিঃ এর জি এম মো রাশেদুল ইসলামের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মুক্তিযুদ্ধা হাজী এস এম জহিরুল ইসলাম আর নেই। তিনি ৯ অক্টোবর শনিবার সকাল ৭টায় তার কুমিল্লার দূর্গাপূরস্থ নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। 


মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি ১ ছেলে ২ মেয়েসহ অসংখ্যগুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোটারী ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রীজ এর প্রেসিডেন্ট রাশেদুল ইসলামের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মুক্তিযুদ্ধা হাজী এস এম জহিরুল ইসলামের মৃত্যুতে রোটারী ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রীজ এর চার্টার প্রেসিডেন্ট  রোটাঃ এম এ ওয়াদুদ আল মামুন, সেক্রেটারী রোটাঃ ফখরুল ইসলাম, রোটারী ক্লাব অব সিলেট সিটির প্রেসিডেন্ট রোটাঃ নুরুর রহমান, সেক্রেটারী রোটাঃএস এ শফি  এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 

এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

Wednesday, 6 October 2021

চন্দরপুরে ডাঃ আজির উদ্দিনের মৃত্যু

চন্দরপুরে ডাঃ আজির উদ্দিনের মৃত্যু



চন্দরপুরের প্রবীণ মুরব্বী ডাঃ আজির উদ্দিন মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ বুধবার ভোর ৫ঃ৩০ মিনিটে তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, (ইন্নালিল্লাহি.........রাজিউন)।

সপ্তাহখানেক পূর্বে তিনি শ্বাসকস্টজনিত সমস্যায় ভোগে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকাল আইসিইউ'তে ভর্তি করা হলে আজ ভোরে তিনি মৃত্যুরকোলে ঢলে পড়েন।

এর আগে প্রায় মাসখানেক পূর্বে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। করোনা আক্রান্তের পর থেকেই তাঁর অক্সিজেন সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। তবে সকল সমস্যা কাটিয়ে তিনি মাসখানেক মোটামুটি সুস্থ অবস্থায় বাড়িতেই ছিলেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে, ৪ পুত্র, নাতিনাতনি-সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের নামাজে জানাজা আজ দুপুর ২টায় চন্দরপুর শাহী ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

ডাঃ আজির উদ্দিন চন্দরপুর বাজারে দীর্ঘদিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। চিকিৎসা প্রদানে তাঁর পরিচিতি ছিলো ব্যাপক।

তাঁর জানাজার নামাজে চন্দরপুর বাজারের ব্যবসায়ী, মুরুব্বী, সমাজসেবী এবং এলাকার সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের মাগফেরাত চেয়ে সকলের নিকট দোয়া কামনা করা হয়েছে।

Sunday, 3 October 2021

বহরগ্রামের সমাজ হিতৈষী মাওলানা নুরুল ইসলাম'র মৃত্যুঃ দাফন সম্পন্ন

বহরগ্রামের সমাজ হিতৈষী মাওলানা নুরুল ইসলাম'র মৃত্যুঃ দাফন সম্পন্ন



গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারীবাজার ইউনিয়নের বহরগ্রামের প্রবীণ মুরুব্বি,পরহেজগার ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল ইসলাম (নুনু মিয়া) আর নেউ। শনিবার (২ অক্টোবর) রাত ১২টায় সিলেট আল হারামাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন, (ইন্নালিল্লাহি.......রাজিউন)।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর।

আজ (রোববার) বাদ যোহর বহরগ্রাম ঈদগাহ ময়দানে মাওলানা নুরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

মাওলানা নুরুল ইসলাম (নুনু মিয়া) ছিলেন বহরগ্রাম মাদ্রাসার নিবেদিত প্রাণ। তিনি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। মাদ্রাসার উন্নয়নে তাঁর অবদান এলাকাবাসী চিরদিন মনে রাখবে। একজন পরহেজগার মানুষ হিসেবে তিনি সর্বদাই গ্রাম এবং এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নকল্পে অগ্রণী ভূমিকা রাখতেন। তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


মাওলানা নুরুল ইসলামের জানাজায় বিভিন্ন মাদ্রাসার মুফতি, মুহাদ্দিস, হাফিজ, মাওলানা, সমাজসেবী এবং দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের ৪ ছেলে হেলাল উদ্দিন, জাকারিয়া হুসেন জয়নাল, কিবরিয়া ইসলাম ও নজরুল ইসলাম রাজু তাদের পিতার মাগফেরাত কামনা করে সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

Sunday, 26 September 2021

নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সম্পাদকের পিতৃবিয়োগঃ বিভিন্ন মহলের শোক

নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সম্পাদকের পিতৃবিয়োগঃ বিভিন্ন মহলের শোক




নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট লেখক ও আলোচক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম জয়নালের পিতা, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার হাতিডহর গ্রামের প্রবীণ মুরব্বি মোঃ মাহবুবুর রহমান ডালই মিয়া(৯১) ২৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকাল ৫ঃ১৫ মিনিটের সময় তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন -ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন। 

মরহুমের জানাযার নামাজ আগামীকাল (২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার) সকাল সাড়ে দশটায় ইছামতি হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রবীন মুরব্বি মাহবুবুর রহমান এর  মৃত্যুতে সিলেট ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সিলেট  জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, প্যানেল চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুস সবুর, সিলেটের ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক আহমদ মাহবুব ফেরদৌস, ইছামতি কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল বাসিত,নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রিন্সিপাল শাহীনুর রহমান চৌধুরী, ৮নং কসকনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক রিয়াজ,সিলেট কেন্দ্রীয় লেখক ফোরামের সভাপতি আবু মালিহা, সাধারন সম্পাদক শফিক আহমদ শফি গভীর শোক ও দূঃখ প্রকাশ করেছেন। 

নেতৃবৃন্দ এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

Friday, 24 September 2021

ঢাকাদক্ষিণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক সেলিম আহমদের ইন্তেকাল

ঢাকাদক্ষিণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক সেলিম আহমদের ইন্তেকাল



ঢাকাদক্ষিণ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সেলিম আহমদ ইন্তেকাল করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল চারটায় গোলাপগঞ্জ পৌর সদরের নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি---রাজিউন।


মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল দশটায় ঢাকাদক্ষিণ দারুল উলুম হুসাইনিয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের মাঠিজুরা গ্রামে বাদ জুমা দ্বিতীয় জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

Tuesday, 14 September 2021

দক্ষিন সুরমার শ্রমিকনেতা শাহ শফিক আহমদ আর নেই

দক্ষিন সুরমার শ্রমিকনেতা শাহ শফিক আহমদ আর নেই



দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের হাজিপুর (মাঝের গাও)নিবাসী নরওয়ে প্রবাসী সিলেট জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ৭০৭ এর সাবেক সদস্য, মৌলভীবাজার -জালালপুর - গহরপুর স্ট্যান্ড এর সাবেক সম্পাদক, সিলাম ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা শাহ শফিক আহমদ আর নেই। 


১৩ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৩ টায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন। 

মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে ২ মেয়ে, নাতি-নাতনী আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

মরহুমের জানাযার নামাজ পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মরহুমের ভাতিজা শাহ মুজিবুর রহমান মিন্টু। 


উল্লেখ্য, শাহ শফিক আহমদ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে  প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী  বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী নরওয়ে প্রবাসী শাহ রফিক আহমদের মেজোভাই।