Sunday, 16 March 2025
Thursday, 31 March 2022
সুবর্ণজয়ন্তীর স্বাধীনতা প্রাপ্তি ও প্রত্যাশাঃ মো. আব্দুল মালিক
Tuesday, 29 March 2022
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি
Sunday, 15 August 2021
আমৃত্যু অকুতোভয় বঙ্গবন্ধুঃ মো: আব্দুল মালিক
Sunday, 8 August 2021
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা রেণুর অবদান
Monday, 26 July 2021
নীল সাপেরা ফেসবুকে যেন ফেলিছে নিশ্বাস : সামিল হোসেন
বাংলাদেশের 'প্রধান কবি' হিসেবে মর্যাদালাভ করা কবি শামসুর রহমানের ‘পণ্ডশ্রম’ কবিতার একটি লাইনে বলেছিলে ''এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে'' কবির এই লাইনের সাথে সাদৃশ্য আজ এবং এই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বিশেষ করে ফেসবুকে যা যা ঘটে বা ঘটে চলেছে, তার সঙ্গে বেশ প্রাসঙ্গিক চিলের পেছনে খামোখা ছুটা জনগণ।
উড়ো খবরের পেছনে ছুটে আজ ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সমাজের কোনো অংশের চরম ক্ষতি হয়ে যায়। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামাজিকতার সীমানা ছাড়িয়ে যায়।
একুশ শতকে এসে ভার্চ্যুয়াল জগৎকে অস্বীকার করা বা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বর্তমানে ফেসবুকের ব্যবহারকারীই ২৩০ কোটির বেশি। তাই এর প্রভাব এতটাই যে গণমাধ্যম বলি আর সামাজিকতা। ফেসবুক এসবকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে।
এই তো বিগত মার্কিন নির্বাচনে ফেসবুকের মাধ্যমে ভুয়া খবর প্রচারিত হয়েছে, সেই প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে। সে জন্য মার্ক জাকারবার্গকে হাজিরা দিতে হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে—এ তো পুরোনো খবর। তার পর থেকে ভুয়া খবর ঠেকাতে ফেসবুকের নানা চেষ্টাও শুরু হয়েছে ।
বাংলাদেশেও ফেসবুক কিংবা অনলাইন ভুয়া খবর ছড়ানোর বড় অস্ত্র। এইতো গতকাল আগুন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রচারের অভিযোগে সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে ৪ ভূয়া সাংবাদিকসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
গত ২২ জুলাই মধ্যরাতে সিলেটের আকাশে আগুনে শিখা দেখা যায়। যা দেখে ফেসবুকে অনেকেই প্রচার করেন, সিলেট সেনানিবাসের বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। ভয়াবহ এই আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মিথ্যে এই প্রচারণায় এতে নগরী ও আশপাশের এলাকায় আতংক দেখা দেয়।
কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এটি কোনো অগ্নিকান্ড নয়, সিলেটের লাক্কাতুরা এলাকায় শেভরনের নিয়ন্ত্রণাধীন গ্যাসক্ষেত্রে সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। তাই গ্যাসকূপের অতিরিক্ত ফায়ার ফ্লো হচ্ছে।
এ ঘটনার তো কাল হলো, তবে প্রতিদিনই এরকম হাজারো গুজব না জেনে না দেখে আমরা অনেকেই ছড়িয়ে দেই। কেননা ভুয়া খবরের নীল সাপেরা ফেসবুকে যেন ফেলেছে নিশ্বাস।
তাই কোনো খবরই যাচাই না করে শেয়ার করা উচিত না, বিশেষ করে অনলাইনে তো নয়ই। প্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে এর অপব্যবহার করা যায় সহজেই। এখন মূলধারার গণমাধ্যমের লেখাও এদিক–ওদিক করে সেই মাধ্যমের লোগো বসিয়ে ছড়িয়ে দেওয়াই সহজ। এমনকি প্রযুক্তি যে পর্যায়ে তাতে ছবি বা ভিডিও বিকৃত করা, চাঁদের মধ্যে কারও মুখাবয়ব জুড়ে দেওয়া কোনো ব্যাপার না। পরে হয়তো প্রমাণিত হবে, সেটি ভুয়া ছিল। সাইবার আইনে মামলাও হয়তো হবে। তাতে কী, ক্ষতি যা হওয়ার তা হবেই।
তবে কি এখানে ব্যবহারকারীদের কোন দায়িত্ব নেই? হ্যাঁ নিশ্চয়ই ব্যবহারকারীর দায়িত্ব তো আছেই। কোটি কোটি ব্যবহারকারীর সবাই তো আর প্রযুক্তিতে দক্ষ না, কোনটা ভুয়া কোনটা আসল, তা–ও অনেকে বোঝেন না। ভুয়া খবর, ছবি বা ভিডিওকে বিশ্বাস করেন, শেয়ার করে দেন নিজের ফেসবুক প্রোফাইল বা পেজ থেকে। কিন্তু অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকেও দেখা যায় মাঝে মাঝে এমন কিছু পোস্ট দিতে বা শেয়ার করতে, যার কোনো সত্যতা নেই। তাই স্হানীয় কিংবা সারাদেশের যে কোন সংবাদ ফেইসবুক পোস্টে বিশ্বাসী না হয়ে খোঁজ নেই মূলধারার স্হানীয় ও জাতীয় সংবাদপত্র।
চলুন এবার ফিরে যাই কবি শামসুর রহমানের ‘পণ্ডশ্রম’ কবিতায়, কবির এই কবিতার মূল সারাংশ হল : চিলের পেছনে না ছুটে আগে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখতে হবে, সেটা জায়গামতো আছে কি না, তা দেখে তার পর ছুটি।
Saturday, 17 July 2021
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ বিষয়ক ৮টি বিকল্প প্রস্তাবনাঃ লেকচারার শরিফুল ইসলাম
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ বিষয়ক ৮টি বিকল্প প্রস্তাবনা কুশিয়ারা নিউজের মুক্তমতে তুলে ধরেছেন ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম।
করোনাকালে পরীক্ষা নেওয়া এখন একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িঁয়েছে। সে হিসাবে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা নেওয়ার কথা রয়েছে। আবার কিছু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ দল বলছেন এ মহামারি আদৌ যাবে কি- না এ নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। আন্তঃ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যনবৃন্দ এ লক্ষে মিলিত হয়েছেন। নিঃসন্দেহে এ সংবাদ হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য আশার আলো।
আবার এই এইচ,এস,সি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে মেডিকেল, বুয়েট, ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ নানা বিষয় নিয়ে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়বে, তাই এই পরীক্ষা ও মূল্যায়ণ যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। ১৯৭২ সালের মত শতভাগ পাশের গ্লানি জাতি আর দেখতে চাই না।
তাই এখন দরকার অল্প দিনে পরীক্ষা শেষ করা, অল্প দিনে ফলাফল ও অল্প সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি। উপরোক্ত ৩টি বিষয় বিবেচনা করলে সকাল বিকাল পরীক্ষা গ্রহন ছাড়া বিকল্প নেই। সে হিসেবে আমি নিম্নোক্ত প্রস্তাবগুলো পেশ করছি।
প্রস্তাব-০১:
পরীক্ষার ১ম দিন- ইংরেজি এই দিন ৩০% শিক্ষার্থী শুধু ১ বিষয়ে দিয়ে থাকে। আবার কিছু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা একটু কঠিন হলে রাগে, ক্ষোভে আর পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে না। তাই ইংরেজি পরীক্ষা আগে নিলে প্রথম দিনের পর ৩০% শিক্ষার্থী কমে যাবে।
২য় দিন- আই সি টি+ ১ বিষয়ের ব্যবহারিক। এ দিনেও পুরাতন শিক্ষার্থী থাকে। তাহলে ২ দিন পর দেখা যাবে ৪০% শিক্ষার্থী কমে যাবে।
৩য় দিন- বাংলা ৪র্থ দিন- পদার্থ/ হিসাব/ (পৌরণীতি/……). ৫ম দিন- রসায়ন/ ব্যবসা/( সমাজ/……) ৬ষ্ট দিন- জীব/ ফিন্যন্স/ (ইস. ইতি/ যুক্তি/.. ) ৭ম দিন- মানবিকের কেউ কোন বিষয় বাদ পড়লে যেমন ৬ষ্ঠ দিনে ইস. ইতি পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুক্তিবিদ্যা বাদ পড়েছে, সেক্ষেত্রে তার যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা আলাদা সেটে নেওয়া যেতে পারে ।
* বিজ্ঞান ও বাকী শিক্ষার্থীদের ২ টি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা।
[ উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট ৬টি শাখা রয়েছে। শুধুমাত্র মানবিকে নৈর্বাচনিক বিষয় রয়েছে ৬টি, ভবিষতে গুচ্ছভিত্তিক ৩ টি বিষয়ে আনা যেতে পারে। বাকী ৫টি শাখার জন্য নির্ধারিত ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয় রয়েছে। ]
প্রস্তাব -২:
একসাথে ১ম ও ২য় পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নপত্র আগে দিয়ে শিক্ষার্থীর পছন্দমত এক পত্রে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে ।
প্রস্তাব -৩:
১ম পত্রে ৫০% প্রশ্নোত্তর ও ২য় পত্রে ৫০% প্রশ্নোত্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে ।
প্রস্তাব -৪:
নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে লটারী করে অর্ধেক শিক্ষার্থী সকালে ও বাকী শিক্ষার্থী বিকালে আলাদা সেটে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে ।
প্রস্তাব -৫:
নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যিক বিষয়ের পরে মানবিকের শিক্ষার্থী সকালে ও বাকী শিক্ষার্থী বিকালে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে । এক্ষেত্রে ১/২ টি বিষয় ছাড়া আলাদা সেটের দরকার নেই।
প্রস্তাব -৬:
৩০% এর মত শিক্ষার্থী পুরাতন। তারা “আদু ভাই” হতে চলেছে। শুধু এদেরকে প্রতি বেঞ্চে ১ জন করে নিরাপদ দূরত্বে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। বাকীদের এভাবে ২ ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে।
প্রস্তাব -৭:
রেড জোন চিহ্নিত জায়গার পরীক্ষা পরবতীতে নেওয়া যেতে পারে ।
প্রস্তাব-৮
যে চাইবে সে নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরীক্ষা দিতে পারবে। অন্যথায় পরবর্তীতে বা পরের বছর সুযোগ রাখা যেতে পারে।
ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম,
লেকচারার, আইসিটি
দুবাগ স্কুল এন্ড কলেজ
বিয়ানীবাজার, সিলেট।
Saturday, 3 April 2021
মোদী বিরোধী আন্দোলন ও বাংলাদেশের বাস্তবতা
অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোদীকে আমন্ত্রণ না
করলে মোদীর কী কোন ক্ষতি হতো ? আর বাংলাদেশের এবং মুসলমানদের কী লাভ
হতো ?
১) বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের সাথে ভারত ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতে যখন আমাদের মুসলিম পশ্চিমা ভাইয়েরা রাতের অন্ধকারে, ঘুমন্ত অবস্থায় আমাদেরকে কাফির ফতোয়া দিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা শুরু করে, আমাদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, খাদ্য গোদাম ইত্যাদিতে অগ্নি সংযোগ করে, মা বোনকে নির্যাতন করে তখন কেউই আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নাই। সেদিন সকল মুসলিম দেশও
ছিল নিরব। তখন এগিয়ে এসেছিল একমাত্র প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারত। ভারত তার সীমান্ত খুলে দিয়ে এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দেয়, নয় মাস ব্যাপী থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে, অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, সর্বোপরি ভারতীয় বাহিনী আত্মাহুতি দিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে তরান্বিত করে। তাই ভারতকে নিমন্ত্রণ করা বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব।
তাঁর প্রতিনিধি পাঠালেও বাংলাদেশ গ্রহণ করতো, যেমনটি অন্য দেশের ক্ষেত্রে হয়েছে। এই গেলো সংক্ষেপে নরেন্দ্র মোদীকে নিমন্ত্রণের কারণ।বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারতকে, নরেন্দ্র মোদীকে নিমন্ত্রণ না করলে তাঁদের কি কোন ক্ষতি হতো ? এক কথায় না। বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্র ভারতকে নিমন্ত্রণ না করলে তার মোটেই ক্ষতি হতো না। বর্হিবিশ্বের কোন দেশ ভারতকে জিজ্ঞাসা করতো না, ‘তোমাদেরকে বাংলাদেশ নিমন্ত্রণ করে নাই কেন ?’ বরং বাংলাদেশকে অনেক রাষ্ট্র বলতো, তোমরা ভারতকে নিমন্ত্রণ করো, না হলে আমাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। ভারতকে নিমন্ত্রণ না করলে বাংলাদেশের কী কোন লাভ হতো ? না। মোটেই লাভ হতো না বরং বর্তমানে যতটুকু সু-সম্পর্ক রয়েছে তার আরো অবনতি ঘটত। ভারত ও কাশ্মীরের মুসলমান, বাংলাদেশের জনগণ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতো। তার প্রমাণ বাবরী মসজিদ, গুজরাট হত্যাকান্ড ইত্যাদি।
বিরোধিতা। কয়েক মাস আগে উনারা ভাস্কর্য বিরোধিতা করে মাঠ গরম করতে না পেরে এখন মোদী বিরোধিতায় নেমেছেন। এই ভারত বিরোধিতা শুরু হয়েছে ১৫ আগস্ট ৭৫ এর পর থেকে। দেখা যাক কোন সরকারের সময় ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন ছিল, কোন সরকার ভারত থেকে কতটা সুবিধা আদায় করেছিলেন- বঙ্গবন্ধুর সরকার অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভারতীয় সৈন্য ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন, বিশ্বের ইতিহাসে যার নাজির নেই। বঙ্গবন্ধুর সরকার ফারাক্ষার পানিচুক্তি করেছিলেন ৪৪ হাজার কিউসেকের বিনিময়ে। বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাত করে এক পর্যায়ে জেনারেল জিয়ার সরকার ক্ষমতায় আসেন। এই সেই
জেনারেল জিয়া যিনি একাত্তর সালে যুদ্ধরত কমান্ডারদের মধ্যে প্রথম ভারতে যান এবং স্বাধীনতার পর সকলের শেষে দেশে ফিরে আসেন। তিনি ফারাক্কা চুক্তি করেছিলেন ৩৪ হাজার কিউসেকে। এক পর্যায়ে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতায় আসেন। এই জেনারেল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২ বার বাংলাদেশে এসেও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন নাই। ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ছিলেন ভারতে উচ্চতর প্রশিক্ষণে। ১৫ আগস্টের ঘঠনা শুনেই তিনি প্রশিক্ষণ ফেলে বাংলাদেশে চলে আসেন এবং জেনারেল জিয়া এক পর্যায়ে তাকে সেনা প্রধান নিয়োগ করেন। সেই এরশাদ ভারতের সাথে ফারাক্ষার পানি চুক্তি করেন ২৪ হাজার কিউসেকে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসেন বেগম জিয়া। তিনি ভারতের সাথে কোন পানি চুক্তি করতে পারেন নাই। ভারত সফর শেষে দেশে আসার পর এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘পানি বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন।’
সম্মেলন করেছিলেন। সীমান্ত হত্যা সহ অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশের কোন্ধসঢ়; সরকার বা কোন জেনারেল ভারতের নিকট থেকে কতটা সুবিধা আদায় করেছিলেন, ভারতকে কতটা সুবিধা দিয়েছিলেন এর তুলনামূলক আলোচনা করলে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত সত্য, বাংলাদেশে কারা ভারতের তাবেদার বা দালাল।
শিক্ষক, কলামিস্ট
ও
সহ-সভাপতি
বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ, সিলেট জেলা, শাখা।
সাধারণ সম্পাদক
বঙ্গবন্ধু গবেষণা সংসদ, সিলেট জেলা, শাখা।
০২-০৪-২০২১খ্রিঃ।
বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ কিঞ্চিত আলোচনা
মোঃ আব্দুল মালিক
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা, বিশে^র নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর, বাঙালি জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু, হালের বিশ^বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম-শতবার্ষিকী-‘মুজিববর্ষ’ বাংলাদেশ সহ বিশে^র বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থায় অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে, গুরুত্ব সহকারে পালিত হচ্ছে। এমনটি অন্য কোন বিশ^ নেতার বেলায় হয় নি। কিন্তু কেন ? কী ছিল তাঁর জীবনাদর্শ ? বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ বিশাল ও বহুমাত্রিক। তাঁর উচ্চমার্গের জীবনাদর্শ নিয়ে আলোচনার যোগ্যতা আমি রাখি না। তবে এখানে বঙ্গবন্ধুর জীবনের একেবারে প্রাথমিক ও সাধারণ কিছু জীবনাদর্শ নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করছি।
সাধারণভাবে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ ছিল-
১) অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হওয়া।
২) অন্যায়ের কাছে মাথানত না করা।
৩) ভয়ে পালিয়ে না যাওয়া।
৪) অকপটে সত্য স্বীকার করা।
৫) আত্মসম্মান বজায় রাখা।
৬) লোভ না করা।
৭) জাতিকে ভালোবাসা।
৮) মানুষের উপর আস্থা ও বিশ^াস।
৯) আত্মচিন্তা না করা।
১০। মহান স্রষ্টার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ^াস।
১) অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হওয়াঃ বঙ্গবন্ধু ছিলেন খুবই অধিকার সচেতন। তিনি যখন মাত্র সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তখন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ও বাণিজ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জ আসেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মিশন হাইস্কুল পরিদর্শনে এলে তরুণ শেখ মুজিব তাঁর পথ আগলে ধরে স্কুলের হোস্টেলের ছাদের সমস্যার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তারপর ভারতবাসীর অধিকার আদায়ের জন্য তিনি স্বদেশী আন্দোলনে যোগদেন। স্বাদেশী আন্দোলন যখন হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে রূপ নিল, যখন মুসলমানদের অধিকারের প্রশ্নটি সামনে চলে আসলো তখন তিনি পাকিস্তান আন্দোলনে যোগদেন। পাকিস্তান আন্দোলনের সফল সমাপ্তির পর তিনি যখন দেখলেন বাঙালিদের বঞ্চিত করা হচ্ছে তখন তিনি বাঙালির অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করে বাঙালি জাতির পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়ে গেছেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের অধিকার আদায় করতে গিয়ে তিনি বিশ^বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন। অধিকারের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কখনো আপোষ করেন নি।
২) অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করাঃ অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার আদর্শ তিনি সেই ছোটবেলা থেকেই লালন করে আসছেন। তাঁর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি অনিয়ম করলে তিনি এর প্রতিবাদ করেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার অপরাধে তাঁকে যখন মুচলেকা ও জরিমানা দিতে বলা হয়, তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে স্বেচ্ছায় বহিস্কারাদেশ মেনে নেন। তবুও অন্যায়ের কাছে মাথানত করেন নি। তিনি এমন সময় ফিলিস্তিনি মুসলমানদের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন, যখন প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানরা চুপ করে বসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,‘ আমার অবস্থা যদি চিলির আলেন্দের মতো হয় তবুও আমি সাম্রাজ্যবাদীর কাছে মাথা নত করব না।’ আমৃত্যু তিনি কারো কাছে মাথা নত করেন নি।
৩) ভয়ে পালিয়ে না যাওয়াঃ ভয়ে পালিয়ে না যাওয়ার আদর্শ বঙ্গবন্ধু সেই ছোট বেলায়ই অর্জন করেন। তাঁর বাল্য বন্ধু আব্দুল মালেক কে হিন্দু মহাসভার নেতা তাঁর বাড়িতে বেঁধে রাখেন, তখন তাকে ছাড়িয়ে আনতে গিয়ে হিন্দুদের সাথে মারামারি করার জন্য প্রভাবশালী হিন্দু নেতারা তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পুলিশ তাঁকে ধরে নিতে এসে, পালিয়ে যাবার সুযোগ দিয়েছিল কিন্তু তিনি পালিয়ে যান নি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ইচ্ছা করলে তিনি আত্মগোপনে যেতে পারতেন কিন্তু তিনি প্রাণের ভয়ে আত্মোগোপনে বা পালিয়ে যান নি। অথচ সৈনিক মেজর জিয়া ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে শত্রুর কোন হুমকি ছাড়াই চট্টগ্রাম শহর ছেড়ে তার বাহিনী নিয়ে পটিয়ার দিকে পালিয়ে যান। বিপ্লবী উসামা-বিন-লাদেন প্রাণভয়ে আফগানিস্তানের তোরা বোরা পাহাড়ে লুকিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কখনো এ কাজটি করেন নি।
৪) অকপটে সত্য স্বীকার করাঃ বঙ্গবন্ধু যা সত্য বলে জানতেন তা অকপটে স্বীকার করতেন, কখনো মিথ্যার আশ্রয় নিতেন না। সেই বাল্যকালে হিন্দুদের সাথে মারামারির বিষয়টি বাবা শেখ লুৎফর রহমান যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন তখন তিনি চুপ থেকে বাবাকে বুঝাতে চাইলেন হ্যাঁ মারামারি করেছি। এভাবে তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের কর্ণধার তখন বললেন, ‘মানুষ পায় স্বর্ণের খনি, আমি পেয়েছি চোরের খনি। আমার সামনে চোর, ডানে চোর, বামে চোর, পিছনে চোর’। জাতিসংঘে গিয়ে তিনি বললেন, ‘বিশ^ আজ দুই শিবিরে বিভক্ত শোষক আর শোষিত, আমি শোষিতের পক্ষে।’ এভাবে তিনি সারাজীবন অকপটে সত্য স্বীকার করে গেছেন।
৫) আত্মসম্মান বজায় রাখাঃ বঙ্গবন্ধু সারাজীবন আত্মসম্মান বজায় রেখে চলেছেন। তাঁর রাজনৈতিক গুরু সোহরাওয়ার্দী যখন তাঁকে ঘড় নড়ফু বলেন, তখন তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ করে বলেছিলেন আমি প্রমাণ করব ‘আমি ঝড়সব নড়ফু.’ পরে সোহরাওয়ার্দী সাহেব তাঁকে স্বসম্মানে ফিরিয়ে নেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার জবানবন্দী প্রদানের সময়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাঁকে যখন গ্রেফতার করে বিমান বন্দরে নিয়ে রাখে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট যখন ঘাতকরা তাঁর বাড়ি আক্রমণ করে তাঁকে হত্যা করে তখনো তিনি তাঁর আত্মসম্মান বজায় রেখে কথা বলেছেন। দেশ স্বাধীনের পর স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জেরাল্ড ফোর্ড ও সউদি আরবের বাদশা ফয়সলসহ অন্যান্যদের সাথে কথা বলার সময় নিজের ও দেশের আত্মসম্মান বজায় রেখে কথা বলেছেন। তিনি সবসময় নিজের, দেশের ও জাতির আত্মসম্মান বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিলেন।
৬) লোভ না করাঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একমাত্র ভারত উপমহাদেশীয় রাজনীতিবিদ যিনি স্বেচ্ছায় মন্ত্রীত্ব ত্যাগ করে পার্টির সেক্রেটারীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ’৭০ সালের নির্বাচনের পর বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে আপোষ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীত্বের প্রস্তাব তিনি সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আর্ন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাবস্থায় তিনি তাঁর দুই ছেলেকে সাধারণ ঘরের মেয়েদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি হয়েও নিজের বাড়িতেই সাধারণভাবে থাকতেন। এভাবে তিনি সকল জাগতিক লোভ লালসার উর্ধে ছিলেন।
৭) জাতিকে ভালোবাসাঃ তিনি সব সময় তাঁর জাতিকে ভালোবাসতেন। তাইতো ভারতবাসীর স্বাধীনতার জন্য ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনে, তারপর মুসলমান জাতির পক্ষে পাকিস্তান আন্দোলনে, পরে বাঙালি জাতির স্বাধিকার-স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। তিনি কখনো স্বজাতি-স্বভূমির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন নি। উল্লেখ্য ১৯০৬ সালে যখন মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন পাকিস্তানের জনক খ্যাত তরুণ ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ কংগ্রেসে যোগদান করেছিলেন। এদিক থেকে বঙ্গবন্ধু সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। পাকিস্তানি কারাগারে যখন তাঁর জন্য কবর খোঁড়া হয় তখন তিনি তাদেরকে বলেছিলেন আমাকে ফাঁসি দেও, আপত্তি নেই, তবে আমার লাশ আমার বাঙালির কাছে পাঠিয়ে দিও, এই আমার অনুরোধ। স্বাধীনতার পর এক বিদেশী সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি আমার মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।”
৮) মানুষের উপর আস্থা ও বিশ^াসঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মানুষকে ভালবাসতেন, মানুষকে বিশ^াস করতেন। এই বিশ^াষে তিনি কখনো জিতেছেন আবার কখনো হেরেছেনও। ৭ই মার্চের ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দিবে।’ হ্যাঁ বাঙালিরা ঠিকই বন্ধ করে দিয়েছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল। আবার তিনি যাদেরকে বিশ^াস করেছিলেন তাদের হাতেই শহীদ হয়েছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে সতর্ক করেছিলেন কিন্তু তিনি বিশ^াস করেন নি। আর বিশ^াস না করেই স্ব-পরিবারে তাঁকে শাহাদৎ বরণ করতে হয়েছে। তবে তাঁর এই বিশ^াস ও আত্মত্যাগ বৃথা যায় নি। তিনি বীরের মতো বাঙালি জাতির হৃদয়ে, বিশ^বাসীর হৃদয়ে অবস্থান করছেন। আর ঘাতক ও তাদের সহযোগিরা মীরজাফর উপাধি পেয়ে ইতিহাসের আস্থাকূড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।
৯) আত্মচিন্তা না করাঃ বঙ্গবন্ধু সারাজীবন কখনো আত্মচিন্তা করেন নি। তিনি সব সময় মানুষের, জাতির ও বিশ^বাসীর চিন্তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি যদি আত্মচিন্তা করতেন তাহলে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হওয়ার পরও ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তারপর গৃহ নির্মাণ ঋণ নিয়ে ধানমন্ডির বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি হয়েও সেই বাড়ির ঋণ শোধ করতে পারেন নি। মৃত্যুর পর তাঁর বাড়ি ঋণের দায়ে নিলাম হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
১০) মহান স্রষ্টার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ^াসঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন একজন খাঁটি বাঙালি ছিলেন তেমনি একজন খাঁটি মুসলমানও। ছয় দফা আন্দোলন থেকে তাঁকে বিরত রাখতে শাসক গোষ্টী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে ফাঁসি কাষ্টে ঝুলাতে চাইলেও তিনি ছয় দফা থেকে সরে আসেন নি। ২৫ মার্চ ’৭১ প্রাণের ভয়ে তিনি পালিয়ে যান নি। এমনকি পাকিস্তানী কারাগারে তাঁর জন্য যখন কবর খোঁড়া হয় তখনও তিনি ভয়ে ভীত হন নি বা যখন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সতর্ক করেন তখনও তিনি নিজের বাসা ছেড়ে সরকারী সুরক্ষিত বাসায় উঠেন নি। এর থেকে প্রমাণ হয় তিনি শুধু মুখে ইসলাম লালন করতেন না, তিনি অন্তর দিয়ে ঈমান ও ইসলাম লালন করতেন। তিনি তাওয়াক্কালতু আলাললায় পূর্ণ আস্থা ও বিশ্ববাসী ছিলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই জীবনাদর্শ বাঙালি জাতি ও বিশ^বাসীর জন্য এক অমূল্য সম্পদ। স্বাধীন বাংলাদেশ বার বার পথ হারিয়েছে আবার বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথেই দিশা পেয়েছে। যতদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর এই আদর্শ লালন করবে ততদিন বাংলাদেশ বিশে^র বুকে গৌরবের সাথে, সম্মানের সাথে টিকে থাকবে। তাই মুখে নয় কাজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করতে হবে।
লেখক: শিক্ষক ও কলামিস্ট।