Showing posts with label আবহাওয়া. Show all posts
Showing posts with label আবহাওয়া. Show all posts

Saturday, 22 March 2025

বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা


সিলেটসহ সাত বিভাগে টানা তিনদিন বৃষ্টির কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দুদিনের বৃষ্টিতে তাপমাত্রা অনেকটা কমেছে। ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা কমায় গরমও অনুভূত হচ্ছে কম। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশজুড়ে বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার (২২ মার্চ) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

রোববার (২৩ মার্চ) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সোমবার (২৪ মার্চ) ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, পরবর্তী তিনদিন সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। এরপর তাপমাত্রা আবার বাড়তে থাকবে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) দেশের সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডুতে। এদিন ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় শুক্রবার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ১০ মিলিমিটার। রাজশাহীতে ৭, সিরাজগঞ্জে ৫, পাবনা, বগুড়া, চুয়াডাঙ্গায় ২, নওগাঁ, ময়মনসিংহ ও কুষ্টিয়ায় এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ফেনী ও যশোরে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে রাজশাহীতে দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। দিনভর ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন নগরবাসী। শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে, যা থেমে থেমে অব্যাহত রয়েছে। বেশিরভাগ সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও মাঝে মাঝে তা তীব্র হচ্ছে। আগের দিন দুপুরের পর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। 

Monday, 9 May 2022

‘অশনি’ মোকাবিলায় ৬২৯ আশ্রয় কেন্দ্র ও ৮৪৪০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত

‘অশনি’ মোকাবিলায় ৬২৯ আশ্রয় কেন্দ্র ও ৮৪৪০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত


বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ মোকাবিলায় ৬২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৮ হাজার ৪৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সোমবার (৯ মে) বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সংকেত বাড়লই জরুরি সভা ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ইতোমধ্যে জেলায় মোট ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির বরগুনার টিম লিডার জাকির হোসেন মিরাজ জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ৮ হাজার ৪৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন। ৪ নম্বর সতর্কসংকেত জারি হলেই তারা কার্যক্রম শুরু করবেন।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে বরগুনায়। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বইছে দমকা হাওয়া। অশনির প্রভাবে টানা বর্ষণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

বরগুনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) উপপরিচালক আবদুল লতিফ জানিয়েছেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অশনি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

সোমবার (৯ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। ধীরে ধীরে এটি উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। 
শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’


দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে।

সোমবার (৯ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী যেভাবে ছিল এখনও সেভাবেই আছে ঘূর্ণিঝড় অশনি। তবে বাংলাদেশের শঙ্কা কাটছে। ঘূর্ণিঝড়টি আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে ভারতের উড়িষ্যার দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান হয়তো আজও তেমন পরিবর্তন হবে না। যেভাবে আছে, সেভাবেই থেকবে। বরং এটি আস্তে আস্তে দুর্বল হতে পারে। আজ পর্যন্ত এটা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই থাকবে। ওই রকম কোনো পরিবর্তন হবে না। আজকের পর অশনি আস্তে আস্তে দুর্বল হবে।

শাহীনুল ইসলাম বলেন, দেশে আজ বৃষ্টি, বাতাস থাকতে পারে। তবে আপাতত বাংলাদেশ শঙ্কামুক্ত থাকবে। এখন পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, এটি ভারতের উড়িষ্যার দিকে যাচ্ছে। তবে উপকূলে ধেয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এর গতি কমে যাবে। যার ফলে বাংলাদেশে এর সেভাবে প্রভাব পড়বে না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন-৭ অনুযায়ী, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

এদিকে অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে সোমবার (৯ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা-ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি-বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা, মাইজদীকোর্ট, ফেনী, খুলনা ও যশোর জেলাসহ সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

Saturday, 23 April 2022

শনিবার সিলেট-সহ যেসব জায়গায় হতে পারে ঝড়-বৃষ্টি

শনিবার সিলেট-সহ যেসব জায়গায় হতে পারে ঝড়-বৃষ্টি


শনিবার সিলেট-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এমন অবস্থায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া সারা দেশের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাবাসে বলা হয়েছে, দিন ও রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। 

Wednesday, 20 April 2022

সিলেটে ৬০-৮০ কি.মি বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা

সিলেটে ৬০-৮০ কি.মি বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা


রাজধানীতে তীব্র গরমের মধ্যে ভোর রাত থেকে নেমে এসেছে স্বস্তির বৃষ্টি। তার সঙ্গে দফায় দফায় বয়ে গেছে কালবৈখাশী ঝড়ও।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন- খুলনা, বরিশাল বিভাগ ও চট্টগ্রামের কিছু অংশ ব্যাতীত দেশের সব বিভাগেই এ অবস্থা বিরাজমান।

এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নােয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বা তার অধিক বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ কাল বৈশাখী ঝড় অস্থায়ীভাবে ঝড়াে হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে সবচেয়ে তীব্র ঝড় বয়ে গেছে রংপুরে, সেখানে ৭৮ কিলোমিটা বেগে হানা দিয়েছে কালবৈশাখী। আর রাজধানীতে ৭০ কিলোমিটার বেগে এয়ারপোর্ট এলাকায় কালবৈশাখী বয়ে গেছে। আগারগাঁওয়ে ঝড়ের তীব্রতা ছিল ৫৫ কিলোমিটার। বেলা ১১ টায় রিপোর্ট লেখার সময়ও চলছিল কালবৈশাখী। তিনি বলেন, সূর্যের দেখা মিলবে।

তবে আগামী ২৪ ঘণ্টা এমন আবহাওয়া থাকবে। ২২ এপ্রিল ফের এমন হতে পারে। ২৪ এপ্রিল কেটে যাবে। এক্ষেত্রে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় হবে। সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে রংপুরে, ৬০ মিলিমিটার। ঢাকায় হয়েছে ৪০ মিলিমিটার বর্ষণ, সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও ছিল। এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়াে হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়াে হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানােসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া রাজশাহী, পাবনা, যশাের ও রাঙ্গামাটি অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা (১-৩) ডিগ্রী সে. হ্রাস পাবে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। 

Sunday, 30 January 2022

হাড়কাঁপানো শীত আরও কয়েক দিন

হাড়কাঁপানো শীত আরও কয়েক দিন


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চতুর্থ দিনের মতো অব্যাহত আছে শৈত্যপ্রবাহ। রোববার আরও তিন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বিস্তার লাভ করেছে। এ নিয়ে ১১ জেলাসহ কয়েকটি বিভাগে তীব্র শীতের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও ওঠানামা করছে। তেঁতুলিয়া ও রাজারহাটে শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার পরিস্থিতি আরেকটু অবনতি হয়েছে। তেঁতুলিয়ায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে হাড়কাঁপানো শীতে কাবু হয়ে পড়েছে প্রায় সারা দেশের মানুষ। ঘনকুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শীতবস্ত্র বা গরম কাপড়ের অভাবে প্রান্তিক জনপদে শীতার্ত মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শীতের তীব্রতায় জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। 

আবহাওয়াবিদরা জানান, দুই-এক দিনের মধ্যে এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে পারে। পাশাপাশি আগামী ৫ দিনের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে। সেই হিসাবে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এক সপ্তাহের মধ্যে আবারো শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, ফেনী, মৌলভীবাজার, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল ও ভোলা জেলা এবং সীতাকুণ্ড উপজেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। 

এবার শীতে গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামে, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত মাসে একবার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ ডিগ্রিতে নামে। তবে তাতে বড় এলাকাজুড়ে শীতের দাপট দেখা যায়নি।

Saturday, 13 November 2021

সিলেটে নামছে বৃষ্টি, শীত নামতে আরোও দেরী

সিলেটে নামছে বৃষ্টি, শীত নামতে আরোও দেরী


সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি হওয়ার পূর্বভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বলা হচ্ছে, এ অঞ্চলে শীত নামতে আরোও কিছুদিন দেরী হবে বলে।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকেই সিলেটের আকাশে বইছে রোদ-মেঘের লুকোচুরি খেলা। মেঘ-বৃষ্টির যে প্রবণতা তা আগামী আরোও তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। বর্তমানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এক থেকে ৬ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি জানিয়ে আবহাওয়াবিদরা বলেছেন, আপাতত শীত নামার কোনো লক্ষণ নেই।
 
জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকেই সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় মেঘের আনাগোনা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোদের দেখা মেলেনি। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমান যে হালকা বৃষ্টি ও মেঘলা অবস্থা রয়েছে সেটি আগামী ১৫/১৬ নভেম্বর পর্যন্ত থাকতে পারে। সঙ্গে বৃষ্টিও থাকতে পারে। সারাদিন ধরে বৃষ্টি হবে এমন নয়, গুঁড়ি গুঁড়ি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

এ সময়ে বৃষ্টির কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে- পূবালী ও পশ্চিমা বায়ুর সংযোগে এই বৃষ্টি হবে।
 
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আপাতত রাতের তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। দিনে আকাশে মেঘ থাকলে তাপমাত্রা কমে যাবে। শনিবার মেঘ থাকায় তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গেছে। রোববার তাপমাত্রা হয়তো একটু বাড়বে। পরশু হয়তো একটু কমবে। সার্বিকভাবে আপাতত রাতের তাপমাত্রা কমবে না। যেহেতু মেঘলা আকাশ, ফলে কোথাও কোথাও রাতে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বৃষ্টির কারণে কিংবা বৃষ্টি চলে যাওয়ার পর শীত জেঁকে বসার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টি কমে গেলে রাতের তাপমাত্রা হয়তো কিছুটা কমবে। আগামী দু-একদিন রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তাই আপাতত শীত জেঁকে বসার কোন সম্ভাবনা নেই।

দক্ষিণ আন্দামান ও কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি শক্তিশালী হয়ে সর্বোচ্চ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এটিও ভারতের তামিলনাড়ুর দিকে যেতে পারে। আমাদের এদিকে এর প্রভাব পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

Saturday, 14 August 2021

১৪২ বছরে মধ্যে জুলাই ছিল সবচেয়ে উষ্ণ

১৪২ বছরে মধ্যে জুলাই ছিল সবচেয়ে উষ্ণ


১৪২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম মাস ছিল ২০২১ সালের জুলাই। যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া কর্মকর্তারা শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

তারা বলছে, গত ১৪২ বছর ধরে বৈশ্বিক তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। যার মধ্যে এবারের জুলাই মাস ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস।
 
যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীদের একটি দল সতর্কবাণী দিয়েছেন যে মানুষ তেল, গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার না কমালে জলবায়ু পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে।


জুলাই ঐতিহাসিকভাবেই বছরের উষ্ণতম মাস। তার ওপর এ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে তাপদাহের তীব্রতা বেশি ছিল। জুলাইয়ে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ছিল ১৬.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০২০ সালের রেকর্ডকে ০.০১ সেলসিয়াসের ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে এ বছরের জুলাইয়ের তাপমাত্রা।

রেকর্ডের ইতিহাসে গত সাত বছরের (২০১৫-২০২১) জুলাইয়ের উষ্ণতা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এমন তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিসট্রেশনের (এনওএএ) আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ আহিরা সানচেজ-লুগো। বিংশ শতাব্দীর জুলাই মাসের গড় তাপমাত্রার চেয়ে এ বছরের জুলাইয়ের তাপমাত্রা ০.৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

 
তাপমাত্রার তালিকায় প্রথম স্থানই সবচেয়ে খারাপ অবস্থান, এমনটিই বলছেন এনওএএ-এর প্রধান রিক স্পিনার্ড। সংবাদমাধ্যমের জন্য দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন পৃথিবীকে যে ধ্বংসাত্মক পথে নিয়ে যাবে তারই একটি নমুনা এ নতুন রেকর্ড।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলাফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে। তাপদাহ, বন্যা, খরা ও দাবানলে নাকাল পৃথিবীর অনেক দেশ। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না আলজেরিয়ার দাবানল। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, গ্রিসের সাথে ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে উত্তর আফ্রিকার এ দেশটির দাবানল পরিস্থিতি।

অন্যদিকে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে দাবানল পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও রেখে গেছে ধ্বংসের ছাপ। আগুনে পুড়ে গেছে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় এভিয়া দ্বীপের ৫০ হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমি।

 
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলেও নতুন করে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ইতালিজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র দাবদাহ। ইতালির সিসিলি দ্বীপের লুসিফায় কয়দিন আগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি, যা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ। রাশিয়াতেও দাবানলে কারণে সাইবেরিয়ার এক হাজারের বেশি গ্রামে মারাত্মক বায়ু দূষণ দেখা দিয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

Thursday, 1 July 2021

সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিঃ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিঃ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সিলেটের প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উজানের ঢলে গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব উপজেলার বেশকিছু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী তিন থেকে চার দিন এভাবে বৃষ্টি থাকবে। এরপর থেকে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৩০ জুন) সুনামগঞ্জের যাদুকাটা ও সারি নদীর পানি বিপদসীমার নিচ নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) এ দুই নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

আর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ স্টেশনে ১৭৫ মিলিমিটার, লালাখালে ৯২ মিলিমিটার, জাফলংয়ে ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন এভাবে বৃষ্টিপাত হবে। তবে এই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক। টানা বৃষ্টিপাত আরও আগে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটি অনেক দেরিতে হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, আগামী তিন দিন এরকম টানা বৃষ্টি হবে। সিলেটে দিনে ও রাতে সমানতালে বৃষ্টি হচ্ছে। এটি সিলেটের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত।

এদিকে উজানের ঢলে সিলেটের গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব উপজেলার বেশি কিছু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

তথ্যানুযায়ী, ভারতের চেরাপুঞ্জি স্টেশনে ২২১ মিলিমিটার, শিলংয়ে ৪২ মিলিমিটার এবং আইযল স্টেশনে ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে করে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদী সুনামগঞ্জ ও তিস্তা নদী ডালিয়ে পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া সেল) শামমা লাবিবা অর্ণব বলেন, বন্যা হলে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি আছে। সিলেট জেলার অভ্যন্তরে সব বাঁধও পরীক্ষা করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুজ্জামান সরকার, সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টিপাত এবং উজানে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির কারণে নদীগুলোর পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমার পানি আরও বাড়তে পারে।

Thursday, 3 June 2021

গভীর নিম্নচাপসহ শক্তিশালী কালবৈশাখীর আশঙ্কা

গভীর নিম্নচাপসহ শক্তিশালী কালবৈশাখীর আশঙ্কা


গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বাংলাদেশের উপকূল এলাকায় আঘাত আনে। তবে এ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশে কম ছিল। তবে এবার চলতি জুন মাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কা আছে।

বুধবার (০২ জুন) আবাহওয়া অধিদপ্তরে গত এক মাসের আবহাওয়ার পর্যালোচনা এবং আগামী এক মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের পরিচালক সামসুদ্দিন।

সভা থেকে জানা যায়, অতিভারি বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে। পাশাপাশি মাঝারি মাত্রার দাবদাহ বয়ে যেতে পারে দেশের কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শ ম সজিব হোসেন জানান, প্রতি মাসের শুরুতে পরিচালকের সভাপতিত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সভায় জানানো হয়, মে মাসে স্বাভাবিক অপেক্ষা ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি সারাদেশের গড় হিসাব। কিন্তু রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি এবং খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জুন মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাসের শুরুতে সারাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতি মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিমাপ একেক বিভাগে একেক রকম হয়।

এ ছাড়া জুনে ঢাকা বিভাগে ৩৫৬ মিলি, ময়মনসিংহে ৪৩২ মিলি, চট্টগ্রামে ৫৮৯ মিলি, সিলেটে ৬৩৪ মিলি, রংপুরে ৩৮৯ মিলি, খুলনাতে ২৯৬ মিলি, বরিশালে ৪৮৩ মিলি মিটার স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়েছে বলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়।

সভায় আরও জানানো হয়, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। উত্তর-মধ্য অঞ্চলে দুই থেকে তিন দিন মাঝারি অথবা তীব্র বজ্রঝড় ও দেশের অন্যান্য জায়গায় তিন থেকে চার দিন হালকা অথবা মাঝারি বজ্রঝড় হতে পারে। 

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ মাসে একটি মৃদু অর্থাৎ ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অথবা মাঝারি ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির দাবদাহ বয়ে যেতে পারে বলেও সভায় জানানো হয়।

জুন মাসে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর ও উত্তর পূর্বাঞ্চলে এবং দক্ষিণ পূর্বের কিছু অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়াও দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুস্ক থাকতে পারে

তাপমাত্রার পূর্বাভাসে বলা হয় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

এ সময় ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটারে ওঠে যেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার হতে আসাম অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। অপর লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হতে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ ছাড়া গতকাল বুধবার (০২ জুন) সারাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরের সৈয়দপুরে ৩৫ দশমিক ৭  ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে ৫৪ মিলিমিটার।